মোঃ মিঠু মিয়া, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ

গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুর গ্রামের মাহাবুর রহমানের মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রী লাবনী আক্তার (১৩ ) গত ৮ই মে বিকালে অপহরন করে ।
জানা গেছে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বিশুবাড়ি দাখিল মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার জন্য পথের মধ্যে পাকা রাস্তার নিকটতম কালাম মাস্টারের বাড়ির নিকট পৌছলে পথ রোধ করে সেখান থেকে আসামী আরিফুল ইসলাম সহ ৩-৪ জন মিলে লাবনী আক্তার কে সিএনজি যোগে অপহরন করে অজানার উদ্দেশ্যে নিয়ে যায়। অপহরণ কারীদের কে দেখে ফেলে এলাকাবাসী ও সাক্ষী গন । এলাকাবাসী সিএনজিটি আটকের চেষ্টা করেন। এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা মাহাবুবর রহমান বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় লাবনী আক্তার (১৩) অপহরণের অভিযোগ দাখিল করেছেন।
ভিকটিমের চাচা মাফিজুল ইসলাম ১১ই মে বেলা একটায় এই প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন বিশুবাড়ি দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রী মোছাঃ লাবনী আক্তার ক্লাস শেষে বাড়ি ফেরার পথে জোর করে লাবনীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
তিনি আরো জানান, অপহরণকৃত নাবালিকা লাবনী আক্তার কে ফেরত দিতে আসামী বাচ্চু মিয়া ও দরবস্তু ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আমিরুল ইসলাম সরদার প্রতিশ্রুতি দিলেও তালবাহানা করছেন।
এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই দীপক কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন ইপি সদস্য আমিরুল ইসলাম তাকে বলেছেন, লাবলি আক্তার গাজীপুর থেকে অপহরণ হয়েছে।
এ বিষয়ে দীপক কুমার আরও জানান তিনি আমিরুল ইসলামকে আবারো জিজ্ঞাসা করবেন। আমাদের প্রতিনিধি দরবস্তু ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ আমিনুল ইসলাম সরদার কে মুঠোফোন জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন , এ বিষয়ে বিকালে বসার জন্য জানান।
এদিকে ভিকটিম লাবনীর পরিবার ও পিতা মাহাবুবরহমান মেয়ের শোকে কাতর হয়ে পড়েছেন।
তারা আরো জানান চার দিন হলে নাবালিকা লাবনী আক্তার অপহরণ হলেও রহস্যজনক কারণে ইউপি সদস্য আমিরুল ইসলাম মেয়েটিকে উদ্ধারের জন্য সহযোগিতা না করে
আসামী পক্ষের আত্মীয়তার সুযোগে তালবাহানা করছেন ‌।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামসুল আলম শাহ কে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় সহকারী পুলিশ সুপার উদয় কুমার সাহা সি সার্কেল কে অপহরণ এর বিষয়টি অবগত করলে তিনি ব্যবস্থা নেবেন বলে এই প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন।
অপহৃত লাবনীর বাবা মাহাবুবর রহমান কন্যা শোকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং তিনি বলছেন নাবালিকা মেয়ে লাবনী কে হত্যা করে লাশ গুম করতে পারে অথবা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করছে। নাবালিকা লাবনী আক্তার কে উদ্ধার ও অপরনকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী।