স্টাফ রিপোর্টারঃ

জাতীয় ভোক্তা অধিকার রক্ষা আন্দোলনের আমতলী উপজেলার আহ্বায়ক মনোনীত হলেন, বিশিষ্ট সংগঠক ও সাবেক ছাত্রনেতা আব্দুস সোবাহান লিটন। ১৩ জুন ২০২৪ জাতীয় ভোক্তা অধিকার রক্ষা আন্দোলন এর কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আতা উল্লাহ খান ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এ্যাডঃ লতিফুর রহমান তাঁকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
জনাব আব্দুস সোবহান লিটন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আমতলী উপজেলার সাবেক সফল সভাপতি, গুলিশাখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা যুব লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, গোজখালী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি, আঙ্গুলকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ও আজকের সকালের সময়ের ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মানবাধিকার রক্ষা ও সমাজ সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ইতোমধ্যে অনেকগুলো জাতীয় পদকে ভূষিত হয়েছেন। ভোক্তাদের অধিকার রক্ষা, নিরাপদ খাদ্য, খাদ্য নিরাপত্তা, সিন্ডিকেট রুখতে ও দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে আমতলী থানার একটি কার্যকরী কমিটি ও উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করে কেন্দ্রে জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।
অপর এক বিবৃতিতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার রক্ষা আন্দোলন এর চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আতা উল্লাহ খান, সিনিয়র সহসভাপতি মির্জা শরিফুল আলম, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এ্যাডভোকেট লতিফুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মোঃ আব্দুল খালেক বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে ও
দেশে চামড়াজাত পণ্যের মূল্য উল্ল্যেখযোগ্য হারে বেড়েছে রপ্তানিও বেড়েছে তারপরও কাঁচা চামড়া নিয়ে কেন তুঘলকি কান্ড?গত কয়েক বছর ধরে সিন্ডিকেটের কারসাজিতে চামড়ার ন্যায্য মূল্য বঞ্চিত হচ্ছে ভোক্তারা
পশুর চামড়া পাচার রুখে সম্ভাবনাময় এই শিল্পকে বাঁচাতে হলে কাঁচা চামড়ার ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে হবে। রুখতে হবে সিন্ডিকেট।
নেতৃবৃন্দ চরম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন কাচা চামডার ন্যায্য দাম নাপাওয়ায় এভাবেই বিগত বছর সুনামগঞ্জে ৯০০ চামড়া মাটির নিচে পুতে ফেলে। এই আন্দোলন সারাদেশে অব্যাহত থাক তবেই বিদেশি ষড়যন্ত্রের হাত থেকে চামড়া শিল্প রক্ষা করা সম্ভব হবে। বিগত কয়েক বছর যাবত আমাদের দেশে কুরবানীর চামড়া গুলো নষ্ট হচ্ছে এবং গরীব অসহায়রা ও বঞ্চিত হচ্ছে।
বাংলাদেশের চামড়া শিল্পকে ধ্বংস করার জন্য কে বা কারা গভীর ষড়যন্ত্র করছে তাদেরকে খুঁজে বের করে কঠিন শাস্থির ব্যবস্থা নিতে না পারলে আগামীতে এই শিল্প ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাবে।
চামড়া শিল্পকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হলে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে সরকারি অথবা বেসরকারি উদ্যোগে একটি করে চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে হবে। এই কারখানার মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে কাঁচা চামড়া সংগ্রহ করে প্রক্রিয়াজাত করে চামড়াজাত পণ্য উৎপাদন করবে। এতে সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থান, নিশ্চিত হবে চামড়ার ন্যায্য মূল্য ও সঠিক ব্যবস্থাপনা।