জুনেদ বিন ফরিদ,সিলেট প্রতিনিধিঃজৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত শ্রীখেল এলাকায় বাস ইজিবাইক দূর্ঘটনায় নিহত ছয়জন ব্যাক্তির মধ্যে চারজনের জানাযা ও দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। ৮ ই জুলাই শনিবার বেলা ১১:৩০ ঘটিকার সময় দরবস্ত বাজার শাহী ঈদ গাঁ মাঠে তাদের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মুসল্লীদের অংশগ্রহণে জানাযার নামাজে গোটা ঈদগাঁ এলাকায় তিল ধারণের ঠাঁই ছিলো না। জানাযার নামাজ পড়ান জৈন্তাপুরের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনিশিক্ষা প্রতিষ্ঠান খরিলহাট মাদ্রাসার মুহতামিম হযরত মাওলানা মুফতী আবু হানিফ।এর আগে আগত মুসল্লীদের পদচারণায় সিলেট তামাবিল মহাসড়কের দরবস্ত বাজারে যানজটের সৃষ্টি হয়।পাশ্ববর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাট ও কানাইঘাট থেকেও হাজারও মুসল্লী জানাযায় অংশগ্রহণ করেন। জানাযার পূর্বে নিহত ব্যাক্তিদের স্বরণে সৃতিচারণ মুলক ও তাদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে বক্তব্য রাখেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব জয়নাল আবেদীন ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমদ। দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহারের সঞ্চালনায় বক্তারা বর্তমান মহাসড়কের বেহাল দশার কথা তুলে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা বলেন,কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে খানাখন্দে ভরা এই মহাসড়ক এখন মরণফাঁদ। আর কত প্রাণ ঝড়লে তারা সজাগ হবেন।চেয়ারম্যান কামাল আহমদ বাস মালিক সমিতির উদাসীনতা দেখে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন ভিকটিমদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ না করা,আহতদের চিকিৎসার খোঁজ না নেওয়া সহ জানাযায় মালিক সমিতির কাউকে উপস্থিত না দেখে তিনি এক ঘন্টার ভিতরে মালিক সমিতি কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা না নিলে তামাবিল মহাসড়কে বাস চলাচল বন্ধের আল্টিমেটাম দেন।এছাড়াও অপ্রাপ্তবয়স্ক চালকদের হাতে ইজিবাইক, সস্তায় দুনম্বরী লাইসেন্স প্রদানের বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালনা ও ব্যবস্হাগ্রহনের আহবান জানান।উল্লেখ্য গতকাল শুক্রবার রাত ১০ ঘটিকার সময় সংঘটিত এই মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় ঘটনাস্থলে পাঁচজন ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজনের মৃত্যু হয়। পাঁচজনের মধ্যে আবদুল মতিন(৪৫) এর জানাযা বাদ আসর হওয়ার কথা রয়েছে।