শেখ মিহাদ বাবু,বিশেষ সংবাদদাতাঃব্রাহ্মণবাড়ীয়া,নবীনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে চলছে ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার মহাউৎসব।বালুম আইন ২০১০ অমান্য করে চলছে ফসলি জমি নিধন। নবীনগরের প্রশাসন কয়েকবার চিরনি অভিযান চালিয়েও থামানো যাচ্ছে না এ মাটি কাটার রমরমা ব্যবসা। রসুল্লাবাদ ইউনিয়নের সাদীর মিয়া,বিল্লাল মিয়া,জামান মিয়া, মোমেন মিয়া,মামুন মেম্বার ও বাছির মিয়া।লাউরফতেহপুর ইউনিয়নের রহমান মিয়া সুমন মিয়া রনি মিয়া।জিনদপুর ইউনিয়নের কবির মিয়া।সাতমোড়া ইউনিয়নের হাদিস মিয়া, সিজিল মিয়া।শ্রীরামপুর ইউনিয়নের নাদিম মিয়া মালেক মেম্বার।নবীনগন থানার কিছু ইউনিয়নের নায়েব কে হাত করে চলছে এই ব্যবসা।তাদের খুঁটির জোর কোথায় তা আজ ও প্রশাসন খোঁজে পাচ্ছে না।রসুল্লাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সামনে ড্রেজার চলমান থাকা সত্বে ও নায়েব সাহেব নাকি কিছুই জানে না।ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নের নায়েব কে কল করে অবগত করলে ও উনার টনক নড়ে না।যেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন এক ইঞ্চি জমিও থাকবেনা অনাফসলি।সেখানে দিনের পর দিন এই ব্যবসায়ীরা কি করে প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে মাটি কাটার মহা উৎসবে মেতে উঠেছে। ড্রেজিং করার ফলে আশেপাশের জমির মালিকরা অল্প দামে জমি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। এটা যেন দেখার কেও নেই নবীনগরে। সাধারণ জনগণ কি এটা থেকে মুক্তি পাবে না? কবে নাগাদ আমরা এ জমি খেকুদের হাত থেকে মুক্তি পাবো।সহকারী ভূমি মাহমুদা জাহান অভিযান চালালেও তাদেরকে থামিয়ে রাখা যাচ্ছে না। বিশেষ মানুষের সুপারিশে তারা আবার একই অপরাধ করছে।তাহলে কি নবীনগর ড্রেজার ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি?তাহলে কি এখন তার প্রতিকার ডিসি মহোদয়ের কাছে চাইতে হবে? নবীনগর থানার প্রতিটি ইউনিয়নে এভাবে প্রতিনিয়ত চলছে ড্রেজার দিয়ে মাটি খনন।