মোঃ নুর ইসলাম মৃধা, স্টাফ রিপোর্টারঃ

পটুয়াখালী সদর উপজেলা লোহালিয়া ইউনিয়নের কুড়িপাইকা গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেড়ে মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দিয়ে হয়রানি অভিযোগ পাওয়া যায়। গত ১৩/১০/২০২৩ ইং তারিখ সফুরা বেগম (৫৫) স্বামী মৃতঃ হাফেজ হাওলাদার পটুয়াখালী সদর থানায় তার নাতিন মোসাঃ স্বপ্না আক্তার (১৩) পিতাঃ মোঃ বশির হাং মাতাঃ চম্পা বেগম। স্থানীয় মেম্বার মোঃ আবুল হোসেনকে সাথে নিয়া একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ১৪ তারিখঃ১৩/১০/২০২৩ ইং।এই ধর্ষণ মামলায় আসামি করা হয়( ১) মোঃ কবির শরীফ (৩৮) পিতাঃ মোঃ আলতাফ শরীফ গ্রাম সন্ন্যাসী কান্দা বগা বাউফল। (২) মোসাঃ জাহানারা বেগম (৫০) স্বামী মৃতঃ হাফেজ হাওলাদার কুড়িপাইকা। মামলা সূত্রে জানা যায়, স্বপ্না আক্তার কুড়িপাইকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৫ ম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। সরেজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর মাধ্যমে জানা যায়, সফুরা বেগম এবং জাহানারা বেগম সম্পর্কে দুই সতীন।এদের মধ্যে দীর্ঘদিন জমি জমা সংক্রান্ত বিষয় দ্বন্দ্ব চলে আসছে। জাহানারা বেগম বলেন, পারিবারিক শত্রুতার কারনে এই ধর্ষণ মামলা করা হয়।আমার সাথে কবির শরীফের ভালো সম্পর্ক তাই তাকেও জড়িয়েছে।তিনি আরো বলেন,স্বপ্নাকে তাদের বাড়ির মহিলা মেম্বার জেসমিন পটুয়াখালী উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিকির বাসায় কাজে দেন।এই বিষয়ে স্বপ্নার কাছে জানতে চাইলে কান্না করে বলেন,সেই বাসার কাজের ছেলের দ্বারা একাধিক বার ধর্ষণের শিকার হয়। একথা মিকিকে বললে সেও তাকে অনেক মারে।তাই সহ্য করতে না পেরে পালিয়ে বাড়িতে চলে আসে।আসার পর জেসমিন তাকে অনেক মারধর করে একথা কাউকে না বলার জন্য।আবার জেসমিন তাকে জোর করে পটুয়াখালী মিকির বাসায় নিয়ে যায় এবং স্বপ্নাকে ডাক্তার দেখায়। এ ব্যাপারে জেসমিন মেম্বার বলেন আমি ওকে কাজে দিয়েছি তাতে কি হয়েছে আমি ওদের সাহায্য করতে চেয়েছি।এই বিষয় ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বার হোসেন কেরানির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি ঘটনা সম্পর্কে শুনেছি তবে মেয়েটি অসহায় তার পাশে দাঁড়িয়েছি যাতে করে মেয়েটি বিচার পায়।তাই অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার জন্য আমি ৯৯৯ নাইনে ফোন করে প্রশাসনকে জানাই।তবে শুনছি স্বপ্নাকে মিকির বাসায় পটুয়াখালী কাজে দেয় জেসমিন মেম্বার। স্থানীয় বাবুল পহলান বলেন,এই মিথ্যা মামলার পিছনে কলকাঠি নাড়ছে মহিলা মেম্বার জেসমিন ও পুরুষ মেম্বার হোসেন কেরানি। নিরিহ কবির শরীফকে মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে শুধু টাকার জন্য। যাতে করে তাদের পকেট ভরে।আর শালিশির নামে চাওয়া হচ্ছে ৫ লক্ষ টাকা কবিরের পরিবারের কাছে। ধর্ষণ সম্পর্কে লোহালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এড. কবির হোসেন তালুকদার বলেন, আমি শুনেছি তবে কি হয়েছে তা আমার জানা নেই। তবে অপরাধীর শাস্তি হওয়া দরকার।এই মিথ্যা ধর্ষণ মামলা দিয়ে হয়রানি করায় কবিরের স্ত্রী ও তার পরিবার এই মিথ্যা মামলা থেকে বাচার পরিত্রাণ চায়।