কাওছার হাবিব- পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

নওগাঁর পত্নীতলায় বিদ্যুৎ আসা যাওয়ার মাত্রা অতিরিক্ত হওয়ায় পবিত্র মাহে রমযান মাসে ধর্মপ্রাণ মুসলিমসহ উপজেলার সর্বসাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। পবিত্র রমজান মাসে এ উপজেলার বিদ্যুৎ সেবার মান যতটা আশা করেছিল তা না হওয়ায় ধর্মপ্রাণ মুসলমান সহ উপজেলাবাসী হতাশ হয়েছে। বিদ্যুৎ এর অসহনীয় লোডশেডিং এ অতিষ্ট হয়ে উঠেছে উপজেলাবাসী।

রোজাদারদের আশা ছিল বিদ্যুৎ এর লোডশেডিং থাকলেও হয়তো তারাবীর নামাজ ও রাতের সময় বিদ্যুৎ সেবার মান সহনীয় থাকবে। কিন্তু ঘন ঘন আসা যাওয়ার মধ্যে থাকে বিদ্যুৎ সেবার মান। রমযানের শুরু থেকেই পত্নীতলায় চলতেই থাকে ভয়াবহ লোডশেডিং।এই প্রচন্ড তাপদাহ গরমের দিনে সারাদিন রোজা রাখার পর তারাবির নামাজের সময় বা রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় চরম কষ্ট পোহাতে হচ্ছে রোজাদার মুসল্লিদের,দিনে রাতে কত বার যে লোডশেডিং হয় তা হয়ত বিদ্যুৎ কতৃপক্ষও জানে না বলে অভিযোগ উঠেছে।পবিত্র রমজান মাসে রোজা সুষ্ঠ ভাবে পালন করার জন্য একটু হলেও বিদ্যুৎ সরবরাহের উন্নতি ঘটানোর জন্য ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা বিদ্যুৎ কতৃপক্ষের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন। বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে ব্যবস্যা বাণিজ্যে, ব্যাংক,বিভিন্ন  ব্যবস্যা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কম্পিউটার সাইবার ক্যাফগুলো ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। এতে সাধারণ জনগণও ব্যাপক ক্ষতির শিকার হচ্ছে।

উপজেলা বাসীরা বিদ্যুৎ সেবার মান সহনীয় রাখার দাবি জানিয়েছে তারা। উপজেলার লাগামহীন লোডশেডিং এর বিষয়ে পত্নীতলা পল্লী বিদ্যুৎ কতৃপক্ষের লাইন ম্যানদের সাথে কথা হলে তারা বলেন,লাইনের সমস্যা হলে বা লাইনের কাজ করলে বিদ্যুৎ যায়। তাছাড়া বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে যতটুকু দরকার ততোটুকো  বিদ্যুৎ নাই ঘাটতি আছে বলে জানান তারা। তবে ২৪ ঘন্টা নিরবচ্ছিন্ন ভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ দেওয়া সম্ভব নয়।উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোছাঃ পপি খাতুন এর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন বিষয়টা আমি দেখতেছি যাতে করে যেনো সাহরি ইফতার ও তারাবীর সময়ে বিদ্যুৎ সচল থাকে।