চিরন বিকাশ দেওয়ান,রাঙ্গামাটি প্রতিনিধিঃস্মরণ কালে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা বা অতি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যাওয়া ফারুয়া বাজার ও ৩নং ফারুয়া ইউনিয়ন পরিদর্শন করলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীরোত্তম তঞ্চঙ্গ্যা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান ।

বুধবার (৯ আগস্ট) টানা নয় দিন ধরে বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলে দীর্ঘ ৮ দিন পর্যন্ত সদর – জেলা থেকে মোবাইল-নেটওয়ার্ক, সড়ক ও নৌপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হলে আজ সেখানকার জনগণের সঙ্গে সরাসরি দেখা করা ও মত বিনিময় করলেন এ-ই দুই অবিভাবক।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ শামসুদ্দিন ও উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা( ভাঃ) মোঃ মিজানুল হক এবং রেডক্রিসেন্ট সদস্যরা।

সেখানে ইউনিয়ন পরিষদে ১ঃ৩০ মিনিটে দূর্যোগ ব্যব্স্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে উপজেলা পরিষদ পক্ষ হতে অতি ক্ষতিগ্রস্থ দুইশত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এবং আরো ১০ মেঃটন খাদ্য শস্য পোঁছে দিবেন বলে জানান। পরে ৩ নং ফারুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা,বাজার কমিটি, শিক্ষক,জন প্রতিনিধি এবং হেডম্যান- কার্বারিদেরও সঙ্গে মত বিনিময় করেন।

এছাড়াও বরাদ্দের ঘোষণা দেন বিলাই ছড়ি ইউনিয়নে ১০ মেঃ টন, বড়থলি ইউনিয়নে ৫ মেঃ টন এবং কেংড়াছড়ি ইউনিয়নে ৫ মেঃ টন খাদ্য শস্য।

এত ব্যাপক ক্ষয়- ক্ষতি হওয়া ফারুয়া ইউনিয়নের জনগণের সম্পদ যা ক্ষতির নিরুপন করা কঠিন। তবে প্রত্যেক ও পরোক্ষভাবে সবাই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।কারো দোকান, কারো ঘর- বাড়ি, করো ধন্য জমি, কারো জুম। ভেঙ্গে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থাও। ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে বেশ কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও। একই ভাবে ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছেন বড়থলি ইউনিয়নে জনগণ।
অন্যদিকে কম ক্ষতি হয়নি বিলাইছড়ি ও কেংড়াছড়ি ইউনিয়ন।

স্বানীয় সংশ্লিষ্টরা মনে করেন,এত বড় ধ্বংযজ্ঞ জীবনে কখনো দেখেননি তারা, তাই বন্যার করাল গ্রাসে যেদিকে তাকাই শুধু সব ধ্বংস । ১০ উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বিলাইছড়ি উপজেলা বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন। তাই কেটে উঠতে এবং সাহায্যে হাত বাড়িয়ে দিতে প্রয়োজন সরকারের পাশাপাশি দাতাগোষ্ঠী ও কোন সাহায্যকারী সংস্থা।