উচ্চপ্রু মারমা, রাজস্হলী রাঙ্গামাটিঃ

আজ (২১ অক্টোবর ) শনিবার দুর্গাপূজার মহাসপ্তমী। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে আনন্দের জোয়ার। পূজা অর্চনা, ভক্তিমূলক সংগীতানুষ্ঠান,আরতি প্রতিযোগিতা সহ বিভিন্ন আয়োজনে ৪ দিন মেতে থাকবেন। মা দুর্গা দেবীর আগমন পূর্বাহ্নের মধ্যে সপ্তমী বিহিত পুজা অনুষ্ঠিত হবে।

এবার মা দুর্গা ঘোটকে এসেছেন,যাবেনও ঘোটকে। তার মানে হচ্ছে সবকিছু ছত্রভঙ্গ হবে।
রাঙ্গামাটি রাজস্থলী উপজেলাই নতুন একটি সহ ৪টি পুজা মন্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে,তার মধ্যেই রাজস্থলী সদর শ্রী শ্রী হরি মন্দির,বাঙ্গালহালিয়া বাজার কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী দক্ষিনেশ্বর কালি মন্দির,কুতুরিয়া পাড় শিব ও দুর্গা মন্দির, ছাগল খাইয়া শ্রীশ্রী কৃষ্ণ মন্দির সহ অত্যন্ত উৎসাহ – উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে দুর্গা পূজা শুরু হয়েছে।
রাজস্থলী উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি মিঠুল চন্দ্র দে বলেন,এই বৎসর রাজস্থলীতে আরেক টি নতুন পূজা মন্ডপ হয়ে ৪ টি পূজা মন্ডপে অনুষ্টিত হয়েছে শারদীয়া দুর্গোৎসব। এছাড়াও প্রতি বছরের ন্যায় বিজয়া দশমীর দিন কর্ণফুলী নদী মোহনায় নৌ র‍্যালীর মাধ্যমে প্রতিমা নিরঞ্জন হবে।রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া শিব মন্দির কমিটির সভাপতি পুলক চৌধুরী বলেন সকাল থেকে পুজা মন্ডপে দূর্গা দেবীকে পূঁজার অর্ঘ দিয়ে শুরু হয় সপ্তমী পূঁজার নানান আয়োজন। এই মধ্য দিয়ে সনাতন পরিবারে উৎসবের আমেজে বিরাজ করছে।বাঙ্গালহালিয়া বাজার কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী দক্ষিনেশ্বর কালি মন্দিরের পুজা কমিটির সভাপতি সুমন দে বলেন আমাদের পূজা মন্ডপের এইবারও থিম” এর আয়োজন করেছি,অসহায়ের আর্তনাদ।এইদিকে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা সম্পন্ন করার জন্য প্রশাসন সব সময় সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।
রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার শান্তনু কুমার দাশ বলেন,পূজায় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রতিটা মন্দিরেই থানা পুলিশের পাশাপাশি আনসার, গ্রাম পুলিশের স্বেচ্ছাসেবক দল ও মোবাইল টিম মাঠে আছে। এছাড়া প্রতিটি মন্দির কমিটির স্বেচ্ছা সেবকরা সমন্বিতভাবে পূজা মন্ডপে আনসার ও পুলিশকে সহায়তা করবেন। দেবী বিসর্জন পর্যন্ত সার্বক্ষণিক নজরদারি থাকবে।সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব দুর্গা পূজা আনন্দের মধ্যে দিয়ে  সুন্দর ভাবে উদযাপন করতে পারে সেদিকে পুলিশ এর পক্ষ হতে  সার্বক্ষনিক মনিটরিং এর ব্যবস্থা করছে। এবং উপজেলা পরিষদে কন্টোল রুম খোলা হয়েছে।