এমকে আলম চৌধুরী, চট্রগ্রাম ব্যুরোঃ

কক্সবাজার জেলার উখিয়া টেকনাফে রোহিঙ্গা শিবির গুলোতে ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছে এইডস রোগ। মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া গত ডিসেম্বর পর্য্যন্ত এ রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসারত অবস্হায় মৃত্যু বরণ করেছে প্রায় ৬৫ জন রোহিংগা নাগরিক। এদের মধ্যে আক্রান্ত হয়ে আছে ৬২৩জন। যাদের অধিকাংশই রোহিঙ্গা নাগরিক। বিষয়টি শিবির সংশ্লিষ্ট সকলকে আতংক ভাবিয়ে তুলেছে। বিষয়টি মন্ত্রণালয়ে বেশ কয়েকবার জরুরী বৈঠক অনুষ্টিত হয়েছে। রোহিংগাদের পাশাপাশি শতাধিক স্হাণীয় নাগরিকও এই ভয়াবহ এইডস রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এখন থেকে জরুরী ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে এই রোগ আরো ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। এই মারাত্মক এইডসে আক্রান্ত হয়ে এপর্যন্ত ৬৫ জন রোহিংগা মুত্যুবরণ করেছে। অভিযোগ রয়েছে প্রায় ৫ হাজারেরও অধিক নারী কক্সবাজারে বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে অবৈধ ভাবে দেহ ব্যাবসার সাথে জড়িত রয়েছে। এদের সংস্পর্শে এসে এই ধরনের মারাত্মক রোগ ছড়িয়ে পড়ছে। জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে এই রোগের দ্রুত বংশ বিস্তার ঘটবে। এ ছাড়াও রোহিংগা শিবিরে প্রতিদিন জন্ম নিচ্ছে প্রায় ৩ শতাধিক শিশু। এসমস্ত রোহিংগা দের সংস্পর্শে এসে স্হাণীয় বাংলাদেশী নাগরিকদের মাঝে এ রোগ ছড়িযে পড়ার আশংকা মারাত্মক ভাবে দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্ঠরা মনে করছেন জরুরী ভিত্তিতে আক্রান্তদের অন্যত্র সরিয়ে সুচিকিৎসা প্রদান করা এবং সুস্হ ব্যাক্তিদের এইচআইভি পরীক্ষা নিরীক্ষার ব্যবস্হা গ্রহণ করা। কোন ভাবেই এ কর্মসুচি ব্যার্থ হলে পরিস্হিতি নিয়ন্ত্রনের বাহিরে চলে যাবে, এতে কোন সন্দেহ নেই।