মোঃ আজগার আলী, নিজস্ব প্রতিনিধি সাতক্ষীরা:

সাতক্ষীরা আশাশুনি উপজেলার কুল্যার মোড় থেকে গুনাকরকাটি পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে ঠিকাদারের খামখেয়ালীপনা ও অবহেলায় জনসাধারনের যেন দূর্ভোগের শেষ নেই। গ্রাম হবে শহর, এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশরত্ন শেখ হাসিনা সরকারের নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ, উন্নয়ন হচ্ছে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল। আর এই উন্নয়ন বাস্তবায়নে বিভিন্ন সেক্টরে রয়েছে একাধিক বেসরকারি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করতে আওয়ামী লীগ সরকারের চলমান উন্নয়নের অংশ হিসাবে আশাশুনি উপজেলার কুল্যার মোড় থেকে গুনাকরকাটি পর্যন্ত দুই কিলোমিটার সড়কটি পূর্ণ নির্মান কাজের বাজেট করা হয়। যার দায়িত্ব পেয়েছেন তালা উপজেলার তপন চক্রবর্তীর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। বর্ষা মৌসুমে সড়ক সংস্কার কাজ বন্ধ থাকায় সড়কের মধ্যে ছোট বড় গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় নাকানি-চুপানি খাচ্ছে যানবাহন চালকসহ সাধারণ পথচারীরা। জেলা শহর ও বিভাগীয় শহরের বিভিন্নস্থানে সহজলভ্য সড়ক হিসেবে সরকারী-বেসরকারী, এনজিও প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দসহ সাধারণ পথচারীরা এ সড়কটি দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করে থাকেন। এসড়ক দিয়ে বাস, মিনিবাস, ট্রাক, মাইক্রো, প্রাইভেট কার, থ্রী-হুইলার, নছিমন, মোটরভ্যান, মোটরসাইকেলসহ প্রভূতি যানবাহন চলাচল করে থাকে। এ বর্ষায় সড়কের গর্তে জমে থাকা নোংরা পানি যানবাহনের চাকায় সিচকে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের পোশাক নোংড়া করে দিচ্ছে বলে দুঃখ প্রকাশ করেছে সড়কে চলাচলরত শিক্ষার্থীরা। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের অবহেলার কারণে সড়কটির নির্মাণ কাজ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের দায়িত্ব নিয়ে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন মহলে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা নাজিমুল হক বলেন, অবহেলিত অবস্থায় দুই বছরেরও বেশি সময় সড়কটি এভাবেই পড়ে আছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিতভাবে নোটিশ করলেও তিনি কর্ণপাত করছেন না। বিষয়টি জেলা এলজিইডি কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। এদিকে, সড়ক সংস্কারে ধীরগতি হওয়ায় জনভোগান্তি কমাতে কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান ওমর সাকি ফেরদৌস পলাশ দায়িত্ব নিয়ে ইট-বালু দিয়ে যাতায়াত ব্যবস্থা সচল রেখেছেন বলে জানান তিনি। ঠিকাদার তপন চক্রবর্তীর কাছে মুঠো ফোনে সড়কের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বৃষ্টির কারণে কাজ বন্ধ আছে। বৃষ্টি থামলেই সংস্কার কাজ শুরু হবে এবং নির্বাচনের আগেই শেষ হবে। অতিদ্রুত এ সড়কটি পূর্ণ নির্মানের জন্য সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সড়কে চলাচলরত যানবাহন চালক, জনসাধারণ ও সচেতন মহল।